Home / বাংলাদেশ / প্রধান শিক্ষকের ভয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ?

প্রধান শিক্ষকের ভয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ?

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৫ নম্বর কল্যান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভয় পেয়ে শিশুটি স্কুলে যাওয়া বন্ধ রেখেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা চার দিন সে স্কুলে যায়নি।
শিশুটির নাম আল জিহাদ বিন জামাল ওরফে রাসিন (৯)। সে সুগন্ধী গ্রামের জামাল উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে। ওই ঘটনায় জামাল উদ্দিন প্রধান শিক্ষক মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার পুলিশ সুপার (এসপি) ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এসপি শামসুন্নাহার গতকাল বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া ও লিখিত অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, তাঁর স্ত্রী হোসনেয়ারা আক্তার ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। জিহাদ একই বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। তার রোল নম্বর ১। মাস খানেক আগে প্রধান শিক্ষক মোস্তফা খান শিশু জিহাদের গোপনাঙ্গ জোরে চেপে ধরেন। এতে জিহাদ ব্যথা পেয়ে কান্নাকাটি করে। পরে বিষয়টি বাবা-মাকে জানায়। হোসনেয়ারা বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে মোস্তফা খান অস্বীকার করে বলেন, তিনি দুষ্টুমি করেছেন। রোববার ক্লাস চলাকালে মোস্তফা খান আবার একই আচরণ করেন। এতে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে জিহাদকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর ভয়ে সে আর স্কুলে যাবে না বলে জানায়। এ বিষয়ে আবার জানতে চাইলে মোস্তফা খান তা অস্বীকার করেন এবং বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে হোসনেয়ারার চাকরির ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেন।
প্রধান শিক্ষক মোস্তফা খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিশুটির প্যান্টের চেইন খোলা ছিল। আমি এ নিয়ে দুষ্টুমি করেছি। চাপ দিইনি। সব অভিযোগ মিথ্যে।’
বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আকবর কবির বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।

Check Also

শতাধিক যাত্রী নিয়ে মাঝ সাগরে আটকা পড়েছে সেন্টমার্টিনগামী একটি জাহাজ

‘যারা পেনশনের পুরো টাকা তুলে নিয়ে গেছেন, তারা ডুবেছেন’- অর্থমন্ত্রী কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী …

‘যারা পেনশনের পুরো টাকা তুলে নিয়ে গেছেন, তারা ডুবেছেন’- অর্থমন্ত্রী

ঢাকার নাম পরিবর্তন করে ‘জিয়া সিটি’ করবে বিএনপি! অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, যেসব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *