Home / হাত-পায়ের যত্ন / পায়ের তলায় কড়া পড়েছে? জেনে নিন আপনার করনীয় কি

পায়ের তলায় কড়া পড়েছে? জেনে নিন আপনার করনীয় কি

পায়ের নিচের অংশের ত্বক শক্ত হয়ে যায় বা কড়া পড়ে অনেকের। সাধারণত অতিরিক্ত বা বারবার চাপ পড়ার কারণে চামড়ার কোনো অংশ এ রকম শক্ত হয়ে যায়। এতে ব্যথাও করতে পারে। পায়ের তুলনায় ছোট বা অসমতল জুতো পরে হাঁটলে কড়া পড়তে পারে। এ ছাড়া হাঁটাচলার অস্বাভাবিকতা, পায়ের স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা, পায়ের অস্বাভাবিক আকৃতি, ডায়াবেটিস ইত্যাদি কারণেও কড়া পড়ে। বয়স্ক ব্যক্তিদের এই সমস্যা বেশি হতে দেখা যায়। পায়ে কড়া এড়ানোর জন্য কয়েকটি পরামর্শ—

এই আসছে শীতে নিজে ভাল থাকতে ও ত্বক ভাল রাখতে আপনার করনীয়

 পায়ের আকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে জুতা পরুন। যে জুতা পরার কারণে কড়া পড়তে শুরু করেছে, তা পাল্টে ফেলুন।
 সঠিক নিয়মে হাঁটার অভ্যাস করুন, যাতে পায়ের কোনো একটি অংশে চাপ বেশি না পড়ে, বরং পুরো পায়ের পাতার ওপর শরীরের ভার ছড়িয়ে পড়ে।
 গোসলের সময় হালকা গরম পানিতে ১০ মিনিট পা ডুবিয়ে রেখে পিউমিস স্টোন দিয়ে পুরু চামড়ার ওপরের অংশটুকু ঘষে নিলে উপকার মেলে।
 ডায়াবেটিস ও¯স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা থাকলে চিকিৎসা নিন। পায়ের আকৃতি ও গঠনের সমস্যাও চিকিৎসককে জানান।
 প্রয়োজনে চর্ম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী স্যালিসাইলিক অ্যাসিড প্লাস্টার, ইউরিয়া ক্রিম, ল্যাকটিক অ্যাসিড ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সার্জারি বা ইলেকট্রো সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।

ঘাড় ও গলার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে করুন ৪ টি কাজ

 পায়ের কড়ার চিকিৎসা করা উচিত। কেননা, দীর্ঘদিন এভাবে থাকলে পায়ে সংক্রমণ ও পায়ের হাড়ে সমস্যা হতে পারে।

স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোন স্মিথ
ম্যাপল পাতার রসে ক্যানসাররোধী উপাদান আছে কি?

ক্যানসারের চিকিৎসায় ম্যাপল পাতার রসের কার্যকারিতার বেশ কিছু প্রমাণ মিলেছে। একাধিক গবেষণায় দেখা যায়, মলাশয়ের ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ঠেকাতে ম্যাপলের রস বেশ কাজে দেয়।

যৌনাঙ্গ ফর্সা করার উপায় দেখুন

স্বাস্থ্যবটিকা র লক্ষ্য রোগনির্ণয় গোছের কিছু নয়

প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: ধুলাবালি থেকে রক্ষা পেতে মাস্ক পরা কতটা কার্যকর?

উত্তর: রাস্তাঘাটে ধুলাবালি ও উড়ন্ত ময়লা থেকে সুরক্ষার জন্য নাক-মুখ ঢেকে রাখার মাস্ক পরলে উপকার পাওয়া যায়। ঘরে কার্পেট ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ, এতে প্রচুর ধুলা জমে থাকে।

ফর্সা ত্বক পেতে মধু চমৎকার কিছু ব্যবহার!

ডা. মো. আজিজুর রহমান
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *