Home / মা ও শিশুর যত্ন / বুকের দুধ বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায় কি ? !

বুকের দুধ বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায় কি ? !

বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য প্রতিটি চেষ্টাই খুবই মূল্যবান। কারন শিশুর কমপক্ষে এক বছরের খাদ্য হিসেবে মায়ের বুকের দুধ সর্বোৎকৃষ্ঠ। বুকের দুধ শিশুর সকল পুষ্টির চাহিদা তো পূরণ করেই, সাথে সাথে শিশুর শরীরে অ্যান্টিবডি (Antibody) তৈরি করে যা শিশুকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, অ্যালার্জি (Alergy) প্রতিরোধ করে এবং বেড়ে ওঠার সাথে সাথে অ্যাজমা ও ওবেসিটির ঢাল হিসেবে কাজ করে। বুকের দুধ খাওয়ানো মাকে তার গর্ভকালীন সময়ে বৃদ্ধি পাওয়া ওজন দ্রুত কমাতেও সহায়তা করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যে সকল মায়েরা তাদের সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়ান তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার (Breast Cancer ) ও ওভারিয়ান ক্যান্সার (Ovarian Cancer) হবার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।

শীতে ঠান্ডা জনিত সর্দি কাঁশি

এতকিছুর পরেও অনেক মায়েরাই তাদের শিশুদেরকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন না। কারন তাদের পর্যাপ্ত বুকের দুধ হয় না। পর্যাপ্ত বুকের দুধ না হওয়ার অন্যতম প্রধান কারনগুলো হল, অপর্যাপ্ত খাদ্য ও তরল গ্রহন, অধিক ধকল নেওয়া এবং বাচ্চাকে বেশি অনিয়মিতভাবে ভাবে অথবা খুব অল্প সময়ের জন্য বুকের দুধ খাওয়ানো।

বুকের দুধ বাড়ানোর কিছু প্রাকৃতিক কিছু টিপস্‌
(১) সুষম খাবার গ্রহন। প্রতিদিন ২,৫০০ ক্যালরি গ্রহন করতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

চোখকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত করুন এই ৩টি ব্যায়াম

(২) প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। মায়ের শরীর কখনোই পর্যাপ্ত দুধ উৎপাদন করতে পারে না যদি পানি পানের পরিমাণ কম হয়।
(৩) রাতে যতটুকু সম্ভব নিশ্চিন্তে ঘুমানো এবং দিনের বেলাতেও শিশু ঘুমানো অবস্থায় অল্পক্ষণের ঘুম দিয়ে নেয়া।

প্রতিদিন সকালে তুলসী ও মধুর মিশ্রণ খওয়ার ৭টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো

শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো

(৪) নিয়মিত কিছু হালকা ব্যায়াম করা।

লবণ, গোল মরিচ ও লেবু দূর করবে ১০ টি স্বাস্থ্য সমস্যা । (বিস্তারিত ভিতরের পাতায়)

(৫) বাসার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কাজ ভাগ করে নেওয়া, যাতে একার উপর চাপ বেশি না পড়ে।

(৬) ঘন ঘন বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ালে বুকের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

(৭) প্রতিদিন এক বাটি করে ওটমিল (Oatmeal) খাওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *