Home / জানা অজানা / জীবনে সফল হওয়ার সহজ উপায়

জীবনে সফল হওয়ার সহজ উপায়

জীবনে আমরা সবাই সফল হতে চাই। নিজের যোগ্যতা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে চাই
নিজ নিজ ক্ষেত্রে। জীবনে সফল হতে হলে কিছু জিনিস সবার থেকে একটু আলাদা ভাবে ভাবতে প্রয়োজন হয়। যা
আমরা সাধারনত মানুষের গুনাবলি বলে থাকি।এই গুণাবলি যাদের মধ্যে বিদ্যমান তারা তো সফলতার বিশুদ্ধ জল সিক্ত হবেনই। নিম্নে সফল হবার জন্য বা সফল
হবার নেশায় যারা বিভর তাদের চিন্তাধারা বা তাদের কিছু টিপস
আলোচনা করা হল।

পেটের নাভি সম্পর্কে আশ্চর্যজনক কিছু তথ্য জেনে নিন, অবাক হবেন আপনিও!

সফল ব্যক্তিরা কাজে নামেন সর্বাত্মক ভাবে এবং নিজেকে উজাড় করেঃ আন্তরিকতা ও নিজের কাজের প্রতি
ভালোবাসা থাকতে হবে। যদি তা না থাকে, তবে আমরা কখনোই আমাদের
কাজে সফল হতে পারব না। আত্মবিশ্বাস,
ভালোবাসা ও সৎ সাহস—এই তিনটি জিনিস বাড়ে, যখন মানুষ নিজেকে উজাড় করে দিয়ে সফলতার দিকে
এগিয়ে যায়। সফল ব্যক্তিরা জানে
নিজেকে উজাড় করে দিয়ে সামনের দিকে না হাঁটলে কখনো সফলতা আসে না। আর এই সর্বাত্মক ভাবে কাজে

স্ত্রী দুরে থাকলে স্বামী হস্তমৈথুন করলে কি গুনাহ হবে ? জেনে নিন!

নামার জন্য দরকার আমাদের ইতিবাচক
চিন্তাধারা।কাজ শুরুর আগে তারা মনে করে, প্রথম ধাপেই ভালো কিছু হবে। নেতিবাচক চিন্তাকে মোটেই প্রশ্রয় দেয় না তারা। তারা বিশ্বাস রাখে কাঙ্খিত লক্ষ্যে না পৌঁছানোর কোনো কারনই নেই।
সফলতা না আসা পযন্ত তারা চেষ্টা চালিয়ে যায়- বাঁধা ,বিফলতা তাদের দামিয়ে রাখতে পারে নাঃ
বাস্তব জীবনে সফল হতে কে না চায়। এর জন্য তারা জীবন ভর পরিশ্রমও করে যায়। কিন্তু এ পরিশ্রমটি যদি ভূল পথে হয় তাহলে কঠোর পরিশ্রম করলেও তা
অর্থহীন। আমাদের লুকায়িত শক্তি অর্জনে, সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত করনে আমাদের প্রতিটি বিষয়ে চেষ্টা করতে হবে , হতে হবে অধ্যবসায়ী । যে কোন শক্তি অর্জনে আমাদের ঐ শক্তি অর্জনের লক্ষ্যে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে । তবেই হবে , হওয়া যাবে সেই চেষ্টায় সফল। যথেষ্ট মেধা এবং দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও গৌরবময় ক্যারিয়ার গঠনের নিশ্চয়তা নেই। সেক্ষেত্রে বর্তমান অবস্থা মেনে নিয়ে আরও চেষ্টা সাধনা করাটাই
অধিকতর যৌক্তিক। হতাশা থেকে মানুষের মধ্যে আস্তে আস্তে নিজের উপর অনাস্থা বৃদ্ধি পেতে থাকে।নির্দিষ্ট সময়ে কাঙ্খিত অবস্থানে পৌছাতে না পারলেও হাল ছেড়ে দেওয়াটা চরম বোকামি। বরং বারবার প্রচেষ্টা এবং অধ্যাবসায়

অতিরিক্ত সেলফি তোলার ফলে যাহ ক্ষতি হচ্ছে আপনার? জেনে নিন!

একজনকে পৌছে দিতে পারে সাফল্যের
স্বর্নশিখরে।এক্ষেত্রে ধৈর্য্যের পরীক্ষায়
উত্তীর্ণ হওয়া চাই। মহামনীষিদের মূল
মন্ত্রই ছিল চেষ্টা এবং অধ্যাবসায়।এই মন্ত্র
বুকে ধারণ করে এগিয়ে যায় সফলতা অর্জনে ব্যাকুল ব্যাক্তিরা।
সফল ব্যাক্তিরা কখনো অভিযোগ করে না।সব পরিস্থিতি মোকাবেলা করে হাসি মুখেঃ
অনেকেই নিয়তী কিংবা প্রকৃতিকে দোষারোপ করে থাকেন। কোনঅবস্থাতেই প্রকৃতির সাথে বিবাদে লিপ্ত হওয়া কাঙ্খিত নয়। কোনরকম অধ্যাবসায় না
করে শুধুমাত্র নিয়তীর উপর ভরসা করে বসে থাকলে যেমন সফল হওয়া যায় না, তেমনি একমাত্র চেষ্টা সাধনার মাধ্যমেও সফলতা লাভের কোন নিশ্চয়তা নেই।
চেষ্টা সাধনার পাশাপশি সর্বাবস্থায় প্রয়োজন নিয়তীর উপর নির্ভর করা। তাতে পরিপূর্ণ সফলতা না আসলেও
ভেঙ্গে পড়ার কোন সম্ভবনা থাকে না। বরং নতুন উদ্যমে নতুন করে শুরু করার তীব্র সাহস জাগ্রত হয় মনে।সফলতা
লাভে নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছার সাথে সাথে
সমাজের অবস্থা এবং সময়ের দাবীর প্রতি লক্ষ্য রাখাটাও অত্যন্ত জরুরী।
সমকালীন সময়ে প্রচলিত ধারাকে
এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। তাইতো সফল ব্যাক্তিরা কখনোঅভিযোগ করে না।সব পরিস্থিতি মোকাবেলা করে হাসি মুখে।

পুরুষের সামনে পোশাক খোলার সময়ে মেয়েরা যে ৫ টি কথা ভাবেন?

সফল ব্যাক্তিরা অন্য সফল মানুষদের অনুসরণ করেঃ
সফল ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠি অতীত নিয়ে নয়, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবন
যাপন করে। যে ব্যক্তি, গোষ্ঠি কিংবা জাতি অতীত আকড়ে বাচতে চেয়েছে, তারা ব্যর্থতার তলানীতে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। তবুও অতীত ভুলে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। বরং সাফল্যমন্ডিত অতীত থেকে অনুপ্রেরনা এবং অতীত থেকে শিক্ষা
নেওয়াটাই হতে পারে ভবিষ্যত সাফল্যের
অন্যতম চাবিকাঠি। অর্থাৎ অতীত থেকে
শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে কাজে লাগাতে হবে
সুন্দর ভবিষ্যত গড়ার উদ্দেশ্যে। এক্ষেত্রে
সফল ব্যাক্তিদের অনুসরণ টা প্রভাবক
হিসেবে কাজ করে । তাইতো আজ যারা
প্রতিষ্ঠিত তাদের পিছনে অদৃশ্য হয়ে কাজ করেছে অন্য প্রতিষ্ঠিত ব্যাক্তিদের অনুপ্রেরণা।
সফল ব্যাক্তিরা দুইটি জিনিসের ওপর কখনো আশা হারায় না, একঃ নিজের ওপর আস্থা, দুইঃ নিজের স্বপ্নঃ
জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য নিজের
আআত্মবিশ্বাসের জায়গাটি আরও বাড়িয়ে তুলে সফল ব্যাক্তিরা। নিজেকে এমন ভাবে তৈরি করে যেন সবসময় তাদের আত্মবিশ্বাসী দেখায়। যখন আত্মবিশ্বাস সম্পর্কে কেউ নিজেকে ,ভালভাবে জানে তখন সহজাতভাবে নিজের আত্মবিশ্বাসের জায়গাটি আরও বেশি মজবুত হয়ে যায়।এটি এক
জাদুকরি শক্তি যা নিজের কর্মকাণ্ড এবং ,নিজের শক্তি-সামর্থের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। বলা হয়- আত্মবিশ্বাসই সফলতার মূল শর্ত। আত্মবিশ্বাসীরা নিজের স্বপ্ন পূরণে ব্যাকুল থাকে সবসময়। হোক তা
সময় সাপেক্ষ তারপর ও নিজের স্বপ্নে থাকেন অটুট ও এগিয়ে যান আপন
গতিতে। সম্মান করেন নিজের মনে পুষে রাখা স্বপ্নটুকু কে । জাগ্রত হওয়ার অনুপ্রেরণা পান এই স্বপ্ন থেকেই।
সফল ব্যাক্তিরা সব সময় নিজের যত্ন নেনঃ
পুষ্টিকর খাবার,নিয়মিত শরীরচর্চা ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম সফল ব্যাক্তিদের সবসময় সচল রাখে। পুষ্টিকর খাবার আমাদের দেহ ভালো রাখে। তাছাড়া নিয়মিত
শরীরচর্চা ও বিশ্রাম আমাদের মনকে সতেজ রাখে । সব কাজের ফল শূন্য যদি আমাদের শরীর সাঁয় না দেয়। তাইতো বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। সফল ব্যাক্তিরা সবসময় নিজের প্রতি যত্নবান থাকেন। তাদের সাফল্যর
অন্যতম কারন সুস্থতা।
সফল ব্যাক্তিরা মাঝখানে থামে,বুক ভরে নিঃশ্বাস নেয় এবং পুনরায় কাজ শুরু করেঃ
ভালো ফল পেতে হলে কোনো কাজ করার আগে লক্ষ্য নির্ধারণ করা দরকার। আরো দরকার নিরবিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা। একজন সফল ব্যাক্তি শুধু কিছু কাজই সম্পাদন করেন না। বরং সব সময় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে মনযোগী হন।

Loading...

Check Also

কখন কখন সহবাস করলে বাচ্চা হবেই ! জেনে নিন

সন্তান ধারণের জন্য নারীদের ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বয়স সবচেয়ে নিরাপদ ও উপযুক্ত। এর …

কোথায় কোথায় স্পর্শ করলেই অসাবাবিক হয়ে যায় মেয়েরা ! লজ্জা নয় জানতে হবে????

কোথায় কোথায় স্পর্শ করলেই অসাবাবিক হয়ে যায় মেয়েরা ! লজ্জা নয় জানতে হবে???? কোথায় কোথায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *