Home / খেলাধুলা / ধোনির জন্য আক্ষেপ হয়ে থাকবে ‘বাংলাদেশ’

ধোনির জন্য আক্ষেপ হয়ে থাকবে ‘বাংলাদেশ’

ভারতের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন ধোনি

ভারতে সেরা ক্রিকেটার হিসেবে মহেন্দ্র সিং ধোনি নামটি সকল ক্রিকেটা ভক্তদের মাজে নিখিত থাকবে অনেক দিন। টেস্ট খেলুড়ে আটটি দেশের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছেন ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি। শুধুমাত্র লাল-সবুজ জার্সিধারী বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পাননি ধোনি। কোনোদিন পাবেনও না!

ওয়ানডে বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্বাদ পাওয়া ধোনি গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর আগে টেস্ট দলের দায়িত্ব ছাড়েন ধোনি। ‘ক্যাপ্টেন কুল’ খেতাব পাওয়া ধোনি সব দলের বিপক্ষে সাফল্য পেয়েছেন। অসাধারণ নেতৃত্ব, দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও বিচক্ষণতার পরিচয় নিয়ে বারবার টিম ইন্ডিয়াকে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট উপহার দিয়েছেন। ওয়ানডেতে ১১৯ ম্যাচে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ধোনি। ১১০ ম্যাচে জিতেছেন তিনি। টেস্টে ৬০ ম্যাচে ধোনির জয় ২৭টি। ভারতের সবচেয়ে সফল টেস্ট অধিনায়ক খেতাব পাওয়া ধোনি ভারতকে টেস্টেও এক নম্বরে নিয়ে গিয়েছেন। অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর প্রথম ১১ ম্যাচের একটিতেও হারেননি ধোনি। টি-টোয়েন্টিতেও ধোনির সাফল্য ঈর্ষনীয়। ৭২ ম্যাচে জয় ৪১টি।

ধোনির হাত ধরে ভারত ৪৩টি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে, যার ১৯টি জিতেছে ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র সিরিজে ধোনির দল হারে ২-১ ব্যবধানে। ২০১৫ সালে মাহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফর করে ভারত। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ২-০ ব্যবধানে আগেই সিরিজ জিতে নেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। শেষ ম্যাচে জয় পেয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ায় ধোনি, টিম ইন্ডিয়া।

অধিনায়কত্বের পাশাপাশি বাংলাদেশে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও অনুজ্জ্বল ছিলেন ধোনি। সৌরভ গাঙ্গুলির হাত ধরে ২০০৪ সালে ধোনির অভিষেক হয় বাংলাদেশের বিপক্ষে। চট্টগ্রামে অভিষেক ম্যাচে শূণ্য রানে রান আউটের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকায় মাশরাফির বলে মাত্র ১২ রানে সাজঘরে ফিরেন ধোনি। তৃতীয় ম্যাচে ৭ রানে অপরাজিত ধোনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ফরম্যাটে ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ধোনি ম্যাচ খেলেছেন ২৫টি। ২৩ ইনিংসে ধোনির রান মাত্র ৭৪৭। ১টি সেঞ্চুরির সঙ্গে রয়েছে ৪টি হাফসেঞ্চুরির ইনিংস। এশিয়ার অন্য দুই পরাশক্তি শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে এ সাফল্য অনেক উপরে। লঙ্কানদের বিপক্ষে ৭৬ ম্যাচে ধোনির রান ২৭০৬, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৪ ম্যাচে ১৬৪২।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের সুযোগ ছিল ধোনির। ২০১৪ সালে সুরেশ রায়নার নেতৃত্বে বাংলাদেশে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ খেলতে এসেছিল ভারত। নিয়মিত অধিনায়ক ধোনি বিশ্রামে ছিলেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। তিন ম্যাচের সিরিজ সেবার ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। ধোনি বিশ্রামে না থাকলে নিশ্চিত ওয়ানডে সিরিজ জয়ের বৃত্তপূরণ হত ক্যাপ্টেন কুলের।

ধোনি না পারলেও অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক রিকি পন্টিং টেস্ট খেলুড়ে সবগুলো দেশের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছেন।

মুস্তাফিজ বাংলাদেশের না হায়দরাবাদের?

Loading...

Check Also

প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে বিদেশি লিগে ইউসুফ পাঠান

জিতলে বিশ্ব রেকর্ড, ড্র করলেও ইতিহাস প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে বিদেশী ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগে …

জিতলে বিশ্ব রেকর্ড, ড্র করলেও ইতিহাস

‘সাকিবের আচরণে ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে’ হায়দারাবাদ টেস্ট জিততে হলে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে হবে বাংলাদেশকে। ভারতের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *